উদ্ভিদদেহ কোষ, টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র নিয়ে গঠিত—এ ধারণা মনে রাখবে।
প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা ও স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যুর মৌলিক বৈশিষ্ট্য জানা থাকলে এই পাঠ সহজ হবে।
সালোকসংশ্লেষণ, শ্বসন, পানি শোষণ এবং উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড ও পাতার সাধারণ গঠন সম্পর্কেও ধারণা থাকা দরকার।
উদ্ভিদের ত্বকীয় টিস্যু বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে, জাইলেম পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে এবং ফ্লোয়েম প্রস্তুত খাদ্য পরিবহন করে। প্রস্বেদন উদ্ভিদে পানি ওঠা, তাপ নিয়ন্ত্রণ ও খনিজ পরিবহনে সহায়তা করে।
পরীক্ষায় টিস্যুতন্ত্রের সংজ্ঞা, ভাসকুলার বান্ডলের শ্রেণিবিন্যাস, জাইলেম-ফ্লোয়েমের পার্থক্য, পত্ররন্ধ্র ও প্রস্বেদনের গুরুত্ব নিয়মিত আসে। তাই গঠন, কাজ ও তুলনামূলক বিষয়গুলো ভালোভাবে শিখবে।
| ক্রম | বিষয় |
|---|---|
| ১ | এপিডার্মাল বা ত্বকীয় টিস্যুতন্ত্র |
| ২ | গ্রাউন্ড বা মৌলিক টিস্যুতন্ত্র |
| ৩ | ভাসকুলার টিস্যুতন্ত্র ও পরিবহন টিস্যু |
| ৪ | ভাসকুলার বান্ডল ও অভ্যন্তরীণ গঠন |
| ৫ | প্রস্বেদন, পত্ররন্ধ্র ও শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া |
উদ্ভিদের দেহের বাইরের আবরণকে আমরা ত্বক বলি। এই ত্বক উদ্ভিদকে বাইরের আঘাত, অতিরিক্ত পানি হারানো ও নানা প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা করে। ত্বকের সঙ্গে পত্ররন্ধ্র, রোম, মূলরোম ইত্যাদি বিশেষ গঠনও যুক্ত থাকে।
কাণ্ড ও পাতার বাইরের ত্বককে এপিডার্মিস (epidermis) বলে। মূলের বাইরের আবরণকে এপিব্লেমা (epiblema) বা মূলত্বক বলে। প্রাথমিক অবস্থায় ত্বকীয় টিস্যু থেকেই এই তন্ত্র গঠিত হয়।
এপিডার্মিস সাধারণত একসারি প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে গঠিত। কোষগুলো আয়তাকার ও ঘনভাবে সাজানো থাকে। সাধারণত তাদের মধ্যে আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে না; তবে টমেটো বা লেটুসে ফাঁক দেখা যেতে পারে। কোনো কোনো উদ্ভিদের পাতায় একাধিক সারি কোষও থাকে; যেমন—বট ও পাকুড়।
প্রতিটি কোষে অল্প সাইটোপ্লাজম, একটি নিউক্লিয়াস ও একটি কোষগহ্বর থাকে। সাধারণত রক্ষীকোষ ছাড়া এপিডার্মিসের কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে না। বাইরের প্রাচীরে কিউটিন বা সুবেরিন জমে পুরু মোমের মতো স্তর তৈরি করে। এই স্তরকে কিউটিকল বলে। কিউটিকল পানি অপচয় কমায় এবং ছত্রাকের আক্রমণ থেকে ভেতরের টিস্যুকে রক্ষা করে।
Ficus, Pinus ও ধানজাতীয় উদ্ভিদের পাতায় সিলিকা জমতে পারে। কোনো কোনো পাতায় মিউসিলেজ জমে। ঘাসের পাতায় বড়, স্বচ্ছ বুলিফর্ম কোষ থাকে। এগুলো পানি সঞ্চয় করে এবং পাতার প্রসারণ ও বিকাশে সাহায্য করে।
এপিডার্মিস থেকে উৎপন্ন বিশেষ গঠনগুলোকে এপিডার্মিসের উপাঙ্গ বলে। রোম বা ট্রাইকোম এককোষী বা বহুকোষী, সরল বা শাখাযুক্ত হতে পারে। কিছু ট্রাইকোম গ্রন্থিযুক্ত হয়ে আঁটা, গন্ধ বা বিষাক্ত পদার্থ নিঃসরণ করে। বিশেষ ধরনের রোমকে আঁশ বলে। বিশেষ বহুকোষী ট্রাইকোম হলো কোলেটার্স। পানি ধারণকারী বিশেষ ট্রাইকোমকে থলি বলা হয়। মূলের এককোষী রোম পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে।
পাতা ও কচি কাণ্ডের ত্বকে থাকা অতি ক্ষুদ্র বিশেষ ছিদ্রকে স্টোমাটা বা পত্ররন্ধ্র বলে। প্রতিটি পত্ররন্ধ্র দুটি অর্ধচন্দ্রাকৃতি রক্ষীকোষ দ্বারা বেষ্টিত। রক্ষীকোষে নিউক্লিয়াস ও ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে। পত্ররন্ধ্রের চারপাশের ভিন্ন আকৃতির কোষকে সহযোগী কোষ বলে। এর নিচে বড় বায়ুকুঠুরি থাকে, যাকে সাব-স্টোমাটাল বায়ুকুঠুরি বা শ্বাসকুঠুরি বলে। রক্ষীকোষ পত্ররন্ধ্রের খোলা ও বন্ধ হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
পত্ররন্ধ্র দিয়ে সালোকসংশ্লেষণে CO₂ গ্রহণ ও O₂ ত্যাগ হয়, শ্বসনে O₂ গ্রহণ ও CO₂ ত্যাগ হয় এবং প্রস্বেদন ঘটে। সাধারণত দিনে পত্ররন্ধ্র খোলা ও রাতে বন্ধ থাকে।
সারকথা: ত্বকীয় টিস্যুতন্ত্র সুরক্ষা, গ্যাসের আদান-প্রদান, পানি ও খনিজ শোষণ, পানি সংরক্ষণ, খাদ্য তৈরি এবং প্রস্বেদন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দ্রুত যাচাই ১: মূলের বহিরাবরণকে কী বলে?
দ্রুত যাচাই ২: পত্ররন্ধ্রের খোলা ও বন্ধ হওয়া কোন কোষ নিয়ন্ত্রণ করে?
উদ্ভিদদেহে ত্বকীয় টিস্যুতন্ত্র ও ভাসকুলার টিস্যুতন্ত্র বাদ দিলে যে অংশ অবশিষ্ট থাকে, তাকে গ্রাউন্ড বা মৌলিক টিস্যুতন্ত্র বলে। উদ্ভিদদেহের অধিকাংশ অংশ এই তন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত। সাধারণত প্যারেনকাইমা টিস্যু দিয়ে এটি গঠিত হয়। তবে কোনো কোনো অংশে প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা ও স্ক্লেরেনকাইমা—তিন ধরনের টিস্যুই থাকতে পারে।
এপিডার্মিসের নিচ থেকে শুরু করে ভাসকুলার বান্ডল বাদ দিয়ে কেন্দ্র পর্যন্ত অংশ গ্রাউন্ড টিস্যুতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত। পাতায় এটি মেসোফিল নামে পরিচিত। মূল ও দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডে এই তন্ত্রকে প্রধানত বহিঃস্টেলার ও অন্তঃস্টেলার—দুই অঞ্চলে ভাগ করা যায়।
স্টিল (Stele): ভাসকুলার বান্ডলসহ কেন্দ্র পর্যন্ত উদ্ভিদের অভ্যন্তরের অংশকে স্টিল বলে। স্টিলের বাইরের অংশ হলো বহিঃস্টেলার অঞ্চল এবং স্টিলের ভেতরের অংশ হলো অন্তঃস্টেলার অঞ্চল।
স্টিলের বাইরের অংশকে বহিঃস্টেলার অঞ্চল বলে। এর প্রধান অংশগুলো হলো অন্তঃত্বক, কর্টেক্স ও অন্তঃস্তর।
অন্তঃত্বক (Hypodermis): ত্বকের নিচে অবস্থিত কোলেনকাইমা বা স্ক্লেরেনকাইমার এক বা একাধিক স্তরকে অন্তঃত্বক বলে। এটি সাধারণত কাণ্ডে থাকে; মূলে সাধারণত থাকে না। কাণ্ডকে যান্ত্রিক দৃঢ়তা দেওয়া এবং ভেতরের অংশকে রক্ষা করা এর কাজ।
কর্টেক্স (Cortex): অন্তঃত্বকের নিচ থেকে অন্তঃস্তর পর্যন্ত বিস্তৃত বহুতরবিশিষ্ট অংশকে কর্টেক্স বলে। এটি প্রধানত প্যারেনকাইমা দিয়ে গঠিত এবং কোষগুলোর মধ্যে আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে। মূলের কর্টেক্স পানি ও খাদ্য সঞ্চয় করে। কাণ্ডের কর্টেক্স সঞ্চয়, দৃঢ়তা ও সালোকসংশ্লেষণে সাহায্য করে।
অন্তঃস্তর বা এন্ডোডার্মিস (Endodermis): কর্টেক্সের নিচে একসারি কোষের স্তর হলো অন্তঃস্তর। এর কোষপ্রাচীরে লম্বালম্বি ও অনুভূমিকভাবে সুবেরিন জমে ক্যাসপারিয়ান স্ট্রিপ তৈরি হয়। এটি মূলের পানি ও দ্রবীভূত পদার্থের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে এবং অভ্যন্তরীণ অংশকে রক্ষা করে। অন্তঃস্তরের বিশেষ পাতলা প্রাচীরযুক্ত কোষকে প্যাসেজ কোষ বলে।
অন্তঃস্তরের নিচ থেকে পেরিসাইকলের ভেতর দিয়ে কেন্দ্র পর্যন্ত বিস্তৃত অংশকে অন্তঃস্টেলার অঞ্চল বলে। এর প্রধান অংশ পেরিসাইকল, মজ্জা ও মজ্জা রশ্মি।
পেরিসাইকল বা পরিচক্র: অন্তঃস্তরের নিচে এবং ভাসকুলার বান্ডলের বাইরে অবস্থিত এক বা একাধিক স্তরের বিশেষ টিস্যু হলো পেরিসাইকল। এটি খাদ্য সঞ্চয় ও কাণ্ডকে দৃঢ়তা দেয়। পার্শ্বীয় মূল সৃষ্টি এবং গৌণ ভাসকুলার টিস্যু তৈরিতেও এর ভূমিকা আছে।
মজ্জা বা মেডুলা: ভাসকুলার বান্ডল দ্বারা পরিবেষ্টিত কেন্দ্রীয় অংশকে মজ্জা বলে। এটি সাধারণত প্যারেনকাইমা দিয়ে গঠিত এবং খাদ্য সঞ্চয় করে। স্ক্লেরেনকাইমা থাকলে মজ্জা দৃঢ়তা প্রদান করে।
মজ্জা রশ্মি: দুটি ভাসকুলার বান্ডলের মধ্য দিয়ে মজ্জা যখন পেরিসাইকলের দিকে রশ্মির মতো বিস্তৃত হয়, তখন তাকে মজ্জা রশ্মি বলে। এটি পানি ও খাদ্য পরিবহন, সঞ্চয় এবং প্রয়োজনে গৌণ টিস্যু সৃষ্টিতে সাহায্য করে।
পাতার গ্রাউন্ড টিস্যুকে মেসোফিল বলে। এটি ক্লোরোপ্লাস্টসমৃদ্ধ, পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে গঠিত। দ্বিবীজপত্রী পাতায় মেসোফিল দুই ভাগে বিভক্ত—পালিসেড প্যারেনকাইমা ও স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা। পালিসেড কোষগুলো লম্বা, ঘন সন্নিবেশিত ও পাতার পৃষ্ঠের সঙ্গে লম্বভাবে থাকে। স্পঞ্জি কোষগুলো অনিয়ত, গোলাকার বা ডিম্বাকার এবং তাদের মধ্যে আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে। উভয় অংশই সালোকসংশ্লেষণে খাদ্য তৈরি করে।
১. অন্তঃস্তরের কোষপ্রাচীরে কোন বিশেষ গঠন দেখা যায়?
২. পাতার গ্রাউন্ড টিস্যুকে কী বলা হয়?
উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড, পাতা ও অন্যান্য অংশের মধ্যে পানি, খনিজ লবণ এবং প্রস্তুত খাদ্য চলাচলের জন্য বিশেষ টিস্যুতন্ত্র থাকে। এই তন্ত্রকে ভাসকুলার বা পরিবহন টিস্যুতন্ত্র বলে। এর প্রধান দুটি উপাদান হলো—জাইলেম ও ফ্লোয়েম।
জাইলেম ও ফ্লোয়েম পৃথকভাবে অথবা পাশাপাশি অবস্থান করে একটি ভাসকুলার বান্ডল গঠন করে। এক বা একাধিক ভাসকুলার বান্ডল নিয়ে ভাসকুলার টিস্যুতন্ত্র তৈরি হয়। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদে জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মাঝখানে সাধারণত ক্যাম্বিয়াম থাকে। একবীজপত্রী উদ্ভিদের বান্ডলে সাধারণত ক্যাম্বিয়াম থাকে না।
জাইলেম মূল থেকে পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে পানি ও দ্রবীভূত খনিজ লবণ পরিবহন করে। জাইলেম চার ধরনের উপাদানে গঠিত—ট্রাকিড, ভেসেল, জাইলেম ফাইবার ও জাইলেম প্যারেনকাইমা।
অতিরিক্ত ব্যাখ্যাপরিণত জাইলেমের ট্রাকিড, ভেসেল ও ফাইবার সাধারণত মৃত এবং লিগনিনযুক্ত পুরু প্রাচীরবিশিষ্ট হয়। তাই জাইলেম একই সঙ্গে পরিবহন ও দৃঢ়তা প্রদান করে।
জাইলেমের যে অংশ আগে সৃষ্টি হয়, তাকে প্রোটোজাইলেম বলে। পরে সৃষ্টি হওয়া অংশ হলো মেটাজাইলেম। কাণ্ডে প্রোটোজাইলেম কেন্দ্রের দিকে এবং মেটাজাইলেম পরিধির দিকে থাকলে তাকে এন্ডার্ক বিন্যাস বলে। মূলে প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে এবং মেটাজাইলেম কেন্দ্রে থাকলে তাকে এক্সার্ক বলে। পাতায় এদের অবস্থান মেসার্ক বিন্যাস নামে পরিচিত।
ফ্লোয়েম পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড, কুঁড়ি, ফুল ও ফলের মতো বিভিন্ন অংশে পরিবহন করে। ফ্লোয়েম চার ধরনের উপাদানে গঠিত—সিভটিউব, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা ও ফ্লোয়েম ফাইবার।
দ্রুত যাচাই ১: জাইলেমের চারটি উপাদানের নাম লেখো।
দ্রুত যাচাই ২: মূলে প্রোটোজাইলেম ও মেটাজাইলেমের বিন্যাস কী?
জাইলেম ও ফ্লোয়েম একত্রে বা পৃথকভাবে অবস্থান করে ভাসকুলার বান্ডল গঠন করে। জাইলেম মূল থেকে পাতা ও সবুজ অংশে পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে। ফ্লোয়েম পাতায় প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পৌঁছে দেয়। বান্ডলের প্রকৃতি বোঝার জন্য প্রথমে জাইলেম ও ফ্লোয়েমের আপেক্ষিক অবস্থান দেখতে হবে।
সমপার্শ্বীয় (Collateral): জাইলেম ভেতরের দিকে এবং ফ্লোয়েম পরিধির দিকে পাশাপাশি থাকে।
কেন্দ্রিক বান্ডলে জাইলেম কেন্দ্রে থাকলে হ্যাড্রোসেন্ট্রিক বা জাইলেম-কেন্দ্রিক বলা হয়; যেমন—Pteris ও Lycopodium। ফ্লোয়েম কেন্দ্রে থাকলে লেপ্টোসেন্ট্রিক বা ফ্লোয়েম-কেন্দ্রিক বলা হয়; যেমন—Dracaena।
কচু, ধান, গম ও ভুট্টা একবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ। কচু মূলের পরিধি থেকে কেন্দ্রে সাজানো অংশগুলো হলো:
১. লাউয়ের কাণ্ডে কোন ধরনের ভাসকুলার বান্ডল থাকে?
২. কচু মূলের এপিব্লেমা ও এন্ডোডার্মিসের একটি করে কাজ লেখো।
উদ্ভিদ মূলরোমের মাধ্যমে মাটি থেকে পানি শোষণ করে। এই পানির অধিকাংশই পাতার পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে জলীয়বাষ্প হিসেবে বায়ুমণ্ডলে বের হয়ে যায়। উদ্ভিদদেহ থেকে বাষ্পাকারে পানির এই নির্গমনকে প্রস্বেদন বলে।
উদ্ভিদে প্রস্বেদনের প্রায় ৯৫–৯৮ ভাগ পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে ঘটে। ধাপগুলো লক্ষ্য করো:
পাতার আয়তন ও সংখ্যা যত বেশি, প্রস্বেদন তত বেশি। পাতলা কিউটিকল, পাতলা কোষপ্রাচীর এবং বেশি পত্ররন্ধ্র প্রস্বেদন বাড়ায়। পুরু কিউটিকল, মোমের আবরণ ও কম পত্ররন্ধ্র প্রস্বেদন কমায়। মেসোফিল টিস্যুতে পানির পরিমাণ বেশি হলে প্রস্বেদনও বেশি হয়।
মাটি শুষ্ক হলে উদ্ভিদ যত পানি শোষণ করে, তার চেয়ে বেশি পানি প্রস্বেদনে বেরিয়ে যেতে পারে। এতে পানি অপচয়, নিস্তেজতা ও ডিহাইড্রেশন ঘটে। অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে উদ্ভিদ মারা যেতে পারে।
তবে প্রস্বেদনের উপকারিতা বেশি। এটি জাইলেমে টান সৃষ্টি করে মূলের পানি শোষণে সাহায্য করে এবং পানি, খাদ্যরস ও খনিজ লবণ ঊর্ধ্বমুখে পরিবহন করে। পাতার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, সালোকসংশ্লেষণের জন্য পানি সরবরাহ করে এবং কোষ বিভাজন ও দৈহিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
অভিস্রবণ (Osmosis) হলো বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লির মাধ্যমে দ্রাবকের কম ঘন দ্রবণ থেকে বেশি ঘন দ্রবণের দিকে গমন। মূলরোমে পানি প্রবেশে এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যাপন (Diffusion) হলো কোনো পদার্থের বেশি ঘন স্থান থেকে কম ঘন স্থানে ছড়িয়ে পড়া। পাতার ভেতরের জলীয়বাষ্পের ঘনত্ব বাইরের চেয়ে বেশি হলে তা পত্ররন্ধ্র দিয়ে বাইরে ব্যাপিত হয়।
১। প্রস্বেদনের প্রায় কত ভাগ পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে ঘটে?
২। মূলরোমে পানি প্রবেশ এবং পত্ররন্ধ্র দিয়ে জলীয়বাষ্প বের হওয়ার ক্ষেত্রে কোন দুটি প্রক্রিয়া কাজ করে?
উদাহরণ ১: এপিডার্মাল টিস্যুতন্ত্র শনাক্তকরণ
সমস্যা: একটি উদ্ভিদের পাতার বাইরের আবরণ একসারি ঘনভাবে সন্নিবেশিত প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে গঠিত। কোষগুলোর মাঝে সাধারণত আন্তঃকোষীয় ফাঁক নেই। রক্ষীকোষে ক্লোরোপ্লাস্ট আছে। টিস্যুটি শনাক্ত করো এবং এর কাজ লেখো।
চূড়ান্ত উত্তর: টিস্যুটি এপিডার্মিস। এর প্রধান কাজ হলো সুরক্ষা, পানি ক্ষয় রোধ এবং পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে গ্যাসের আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করা।
উদাহরণ ২: পত্ররন্ধ্র ও গাটেশন
সমস্যা: প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্র দিনে ঘাস বা কচুর পাতার কিনারায় পানির ফোঁটা দেখা গেল। ঘটনাটি ব্যাখ্যা করো।
চূড়ান্ত উত্তর: পাতার কিনারায় দেখা পানির ফোঁটা গাটেশনের ফল। হাইডাথোডের মাধ্যমে মূলের চাপের পানি তরল অবস্থায় বের হয়ে আসে।
উদাহরণ ৩: ভাসকুলার বান্ডলের প্রকৃতি নির্ণয়
সমস্যা: একটি কাণ্ডের ভাসকুলার বান্ডলে জাইলেম কেন্দ্রের দিকে, ফ্লোয়েম পরিধির দিকে এবং তাদের মাঝখানে ক্যাম্বিয়াম আছে। বান্ডলটির প্রকৃতি নির্ণয় করো।
চূড়ান্ত উত্তর: বান্ডলটি মুক্ত সমপার্শ্বীয় ভাসকুলার বান্ডল। ক্যাম্বিয়াম থাকায় এটি মুক্ত এবং জাইলেম-ফ্লোয়েম পাশাপাশি থাকায় এটি সমপার্শ্বীয়।
উদাহরণ ৪: পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন
সমস্যা: পত্ররন্ধ্র খোলা থাকলে পাতায় প্রস্বেদন কীভাবে ঘটে—ধাপে ধাপে লেখো।
চূড়ান্ত উত্তর: পত্ররন্ধ্র দিয়ে জলীয়বাষ্প বের হওয়াই পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন। উদ্ভিদের মোট প্রস্বেদনের প্রায় ৯৫–৯৮ শতাংশ এই পথে ঘটে।
| পরিভাষা | সংজ্ঞা বা সূত্র | কখন ব্যবহার করবে |
|---|---|---|
| ত্বকীয় টিস্যুতন্ত্র | উদ্ভিদ অঙ্গের বহিঃআবরণ সৃষ্টি করে। কাণ্ডে এপিডার্মিস, মূলে এপিব্লেমা। | বহিঃআবরণ ও সুরক্ষা বুঝতে |
| কিউটিকল | কিউটিন বা সুবেরিনের মোমের আস্তরণ। | পানির অপচয় ও ছত্রাক প্রতিরোধে |
| স্টোমা বা পত্ররন্ধ্র | দুটি রক্ষীকোষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বিশেষ ছিদ্র; নিচে সাব-স্টোমাটাল বায়ুকুঠুরি থাকে। | গ্যাস বিনিময় ও প্রস্বেদনে |
| গ্রাউন্ড টিস্যুতন্ত্র | ত্বকীয় ও পরিবহন টিস্যু ছাড়া উদ্ভিদের অন্যান্য অংশ; প্রধানত প্যারেনকাইমা। | সঞ্চয়, বিপাক ও দৃঢ়তা ব্যাখ্যায় |
| মেসোফিল | পাতার গ্রাউন্ড টিস্যু; পালিসেড ও স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা নিয়ে গঠিত। | সালোকসংশ্লেষণে |
| ভাসকুলার টিস্যুতন্ত্র | জাইলেম ও ফ্লোয়েমের সমন্বিত পরিবহন তন্ত্র। | পানি, খনিজ ও খাদ্য পরিবহনে |
| জাইলেম ও ফ্লোয়েম | জাইলেম পানি-খনিজ ঊর্ধ্বমুখে বহন করে; ফ্লোয়েম প্রস্তুত খাদ্য পরিবহন করে। | পরিবহনের দিক নির্ণয়ে |
| ভাসকুলার বান্ডল | জাইলেম ও ফ্লোয়েমের গুচ্ছ; সংযুক্ত, রেডিয়াল বা কেন্দ্রিক হতে পারে। | অভ্যন্তরীণ গঠন শনাক্তে |
| মুক্ত ও বন্ধ বান্ডল | ক্যাম্বিয়াম থাকলে মুক্ত, না থাকলে বন্ধ সমপার্শ্বীয় বান্ডল। | দ্বিবীজপত্রী ও একবীজপত্রী কাণ্ডে তুলনায় |
| প্রস্বেদন | উদ্ভিদদেহ থেকে জলীয়বাষ্প নির্গমন; প্রায় ৯৫–৯৮% পত্ররন্ধ্রীয়। | জল চলাচল ও শীতলীকরণে |
| গাটেশন | হাইডাথোড দিয়ে তরল পানি বিন্দু আকারে বের হওয়া। | অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও মাটির পানিতে |
| সালোকসংশ্লেষণ | 6CO₂ + 12H₂O → C₆H₁₂O₆ + 6H₂O + 6O₂ | খাদ্য তৈরির সমীকরণে |
| ব্যাপন ও অভিস্রবণ | ব্যাপন: বেশি ঘনত্ব থেকে কম ঘনত্বে গমন। অভিস্রবণ: বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লির মাধ্যমে দ্রাবকের কম ঘনত্ব থেকে বেশি ঘনত্বে গমন। | গ্যাস ও পানি চলাচল ব্যাখ্যায় |
১। উদ্ভিদের মূলের বহিরাবরণকে কী বলে?
২। রক্ষীকোষের চারদিকে দুটি সহকারী কোষ সমান্তরালভাবে অবস্থান করলে পত্ররন্ধ্রটি কোন ধরনের?
৩। পাতার গ্রাউন্ড টিস্যুকে কী বলা হয়?
৪। মূলের ভাসকুলার টিস্যুতে প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে এবং মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে থাকলে তাকে কী বলে?
৫। কোন টিস্যু মূল থেকে পাতায় পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে?
৬। জাইলেম কেন্দ্রে এবং ফ্লোয়েম তাকে সম্পূর্ণভাবে ঘিরে রাখলে ভাসকুলার বান্ডলটি কোন ধরনের?
৭। মাটিতে পানির পরিমাণ কমে গেলে সাধারণত প্রস্বেদনের হার কী হয়?
৮। পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে তরল পানি বিন্দু আকারে বের হওয়াকে কী বলে?
১। এপিডার্মিসের দুটি কাজ লেখো।
২। গ্রাউন্ড টিস্যুতন্ত্র কী? এর প্রধান কাজ কী?
৩। মুক্ত সমপার্শ্বীয় ও বন্ধ সমপার্শ্বীয় ভাসকুলার বান্ডলের পার্থক্য লেখো।
৪। প্রস্বেদন উদ্ভিদের জন্য কীভাবে উপকারী?
উদ্দীপক: একজন শিক্ষার্থী কচু গাছের মূলের প্রস্থচ্ছেদ অণুবীক্ষণ যন্ত্রে পর্যবেক্ষণ করল। সে দেখতে পেল, মূলের বাইরের দিকে একসারি মূলরোমযুক্ত কোষ, তার ভেতরে বহুতর কর্টেক্স এবং একটি সুস্পষ্ট এন্ডোডার্মিস আছে। কেন্দ্রের দিকে জাইলেম ও ফ্লোয়েম পৃথক পৃথক ব্যাসার্ধে অবস্থান করছে। জাইলেমের প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে এবং মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে অবস্থিত। একই দিনে সে একটি পাতাকে রৌদ্রোজ্জ্বল ও বায়ুপ্রবাহযুক্ত স্থানে রাখল। কিছুক্ষণ পর পাতাটি নিস্তেজ হয়ে গেল।
ক. জাইলেম কী? [১]
খ. পত্ররন্ধ্রকে উদ্ভিদের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বলা হয় কেন? [২]
গ. উদ্দীপকের মূলের ভাসকুলার বান্ডলের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করো। [৩]
ঘ. উদ্দীপকের পাতাটি নিস্তেজ হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ করো। [৪]
১। এপিডার্মিস উদ্ভিদের অভ্যন্তরীণ টিস্যুকে বাইরের আঘাত ও প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা করে। কিউটিকলযুক্ত এপিডার্মিস পানির অপচয় কমায়। আবার পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে গ্যাসের আদান-প্রদান ঘটে। মূলরোম পানি ও খনিজ লবণ শোষণে সাহায্য করে।
২। ত্বকীয় ও ভাসকুলার টিস্যুতন্ত্র বাদে উদ্ভিদদেহের অন্যান্য টিস্যু নিয়ে গ্রাউন্ড বা মৌলিক টিস্যুতন্ত্র গঠিত। এটি প্রধানত প্যারেনকাইমা টিস্যু দিয়ে তৈরি; কোনো কোনো ক্ষেত্রে কোলেনকাইমা ও স্ক্লেরেনকাইমাও থাকে। এর প্রধান কাজ বিপাকক্রিয়ায় অংশ নেওয়া, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদকে দৃঢ়তা দেওয়া।
৩। মুক্ত সমপার্শ্বীয় ভাসকুলার বান্ডলে জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মাঝখানে ক্যাম্বিয়াম থাকে। তাই এটি গৌণ বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। দ্বিবীজপত্রী ও নগ্নবীজী উদ্ভিদের কাণ্ডে এটি দেখা যায়। বন্ধ সমপার্শ্বীয় বান্ডলে জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মাঝখানে ক্যাম্বিয়াম থাকে না। তাই সাধারণত গৌণ বৃদ্ধি ঘটে না। একবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডে এটি দেখা যায়।
৪। প্রস্বেদনের ফলে জাইলেমে টান সৃষ্টি হয়। এই টান মূল থেকে কাণ্ড ও পাতায় পানি এবং দ্রবীভূত খনিজ লবণ উঠতে সাহায্য করে। এটি পাতার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, কোষে পানি সরবরাহ করে এবং সালোকসংশ্লেষণে সহায়তা করে। তবে অতিরিক্ত প্রস্বেদনে উদ্ভিদ পানি হারিয়ে নিস্তেজ হতে পারে।
ক. জাইলেম হলো ভাসকুলার টিস্যুর একটি অংশ, যা মূল থেকে উদ্ভিদের কাণ্ড, পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে পানি ও দ্রবীভূত খনিজ লবণ পরিবহন করে।
খ. পত্ররন্ধ্র দুটি রক্ষীকোষ দ্বারা বেষ্টিত একটি বিশেষ ছিদ্র। এটি খোলা থাকলে উদ্ভিদের অভ্যন্তর ও বাইরের পরিবেশের মধ্যে গ্যাসের আদান-প্রদান হয়। সালোকসংশ্লেষণের সময় পত্ররন্ধ্র দিয়ে CO₂ প্রবেশ করে এবং O₂ বের হয়। একই পথে জলীয়বাষ্প বের হয়ে প্রস্বেদন ঘটে। তাই সালোকসংশ্লেষণ, শ্বসন ও প্রস্বেদনে পত্ররন্ধ্র গুরুত্বপূর্ণ।
গ. উদ্দীপকের মূলের জাইলেম ও ফ্লোয়েম পৃথক পৃথক ব্যাসার্ধে অবস্থান করছে। তাই এটি রেডিয়াল বা জড়ীয় ভাসকুলার বান্ডল। মূলের রেডিয়াল বান্ডলে জাইলেম ও ফ্লোয়েম পাশাপাশি থাকলেও একই ব্যাসার্ধে থাকে না। এখানে প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে এবং মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে অবস্থিত। এ ধরনের জাইলেম বিন্যাসকে এক্সার্ক বলে। মূলের ভাসকুলার টিস্যুতে সাধারণত এক্সার্ক বিন্যাস দেখা যায়।
ঘ. পাতাটি রৌদ্রোজ্জ্বল ও বায়ুপ্রবাহযুক্ত স্থানে থাকায় প্রস্বেদনের হার বেড়ে যায়। আলো সাধারণত পত্ররন্ধ্র খোলা রাখতে সাহায্য করে। ফলে পাতার ভেতরের জলীয়বাষ্প দ্রুত বাইরে বের হয়ে যায়। আবার বায়ুপ্রবাহ পাতার আশেপাশের আর্দ্র বায়ু সরিয়ে কম আর্দ্র বায়ু নিয়ে আসে। এই কম আর্দ্র বায়ু পাতার জলীয়বাষ্প বেশি গ্রহণ করতে পারে।
প্রস্বেদনের ফলে জাইলেমে পানি উপরের দিকে ওঠে; কিন্তু মাটি থেকে পানি শোষণের হার যদি পানির ক্ষতির তুলনায় কম হয়, তাহলে পাতার কোষে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। কোষের স্ফীততা কমে যায় এবং পাতা নিস্তেজ হয়ে পড়ে। মাটিতে পানির প্রাপ্যতা কম থাকলে এই অবস্থা আরও তীব্র হয়। অতএব, উদ্দীপকের পাতার নিস্তেজ হওয়ার প্রধান কারণ হলো রৌদ্র ও বায়ুপ্রবাহে অতিরিক্ত পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন এবং তার তুলনায় কম পানি শোষণ।
এই অধ্যায়ে টিস্যুতন্ত্র, ভাসকুলার বান্ডল, অভ্যন্তরীণ গঠন ও প্রস্বেদন—সব বিষয় পরস্পর সম্পর্কিত। তাই সংজ্ঞা, অবস্থান, কাজ ও উদাহরণ আলাদা করে মনে রাখো।
| ভুল | সঠিক |
|---|---|
| মূলের বহিরাবরণকে এপিডার্মিস বলা। | মূলের বহিরাবরণ হলো এপিব্লেমা; কাণ্ড ও পাতার বহিরাবরণ এপিডার্মিস। |
| পত্ররন্ধ্র শুধু গ্যাস বিনিময় করে। | এটি গ্যাস বিনিময়, প্রস্বেদন ও রন্ধ্র খোলা-বন্ধ নিয়ন্ত্রণে অংশ নেয়। |
| জাইলেম খাদ্য পরিবহন করে। | জাইলেম পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে; ফ্লোয়েম প্রস্তুত খাদ্য পরিবহন করে। |
| মূল ও কাণ্ডে জাইলেমের বিন্যাস একই। | মূলের জাইলেম এক্সার্ক, কাণ্ডের জাইলেম এন্ডার্ক। |
| সব সমপার্শ্বীয় বান্ডল মুক্ত। | ক্যাম্বিয়াম থাকলে মুক্ত, না থাকলে বন্ধ সমপার্শ্বীয়। |
| রেডিয়াল বান্ডলে জাইলেম-ফ্লোয়েম একই ব্যাসার্ধে থাকে। | রেডিয়াল বান্ডলে তারা ভিন্ন ব্যাসার্ধে থাকে। |
| গাটেশন হলো জলীয়বাষ্প নির্গমন। | হাইডাথোড দিয়ে তরল পানি বের হওয়াই গাটেশন। |
| আর্দ্রতা বাড়লে প্রস্বেদন বাড়ে। | আপেক্ষিক আর্দ্রতা কমলে প্রস্বেদনের হার বাড়ে। |
নিয়মিত সংজ্ঞা, তুলনা ও চিত্রভিত্তিক বিন্যাস অনুশীলন করলে এই অধ্যায়ে ভালো ফল করা সম্ভব।
ADMISSION TEST PREPARATION অধ্যায় ২: কোষ বিভাজন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী How to use this sheet ★★★ = the par
ADMISSION TEST PREPARATION অধ্যায় ১: কোষ ও এর গঠন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী How to use this sheet ★★★ = the p
এইচএসসি সাজেশন (একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি) অধ্যায় ১: কোষ ও এর গঠন / অধ্যায় ২: কোষ বিভাজন / অধ্যায় ৩: কোষ রসায়ন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত
লেকচার শিট অধ্যায় ১২: জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী পরিচিতি এই পাঠে যা শিখবে বাস্
লেকচার শিট অধ্যায় ১১: জীবপ্রযুক্তি একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী পরিচিতি এই পাঠে যা শিখবে কৃষিতে জিনপ্রযুক্তির ব্
লেকচার শিট অধ্যায় ১০: উদ্ভিদ প্রজনন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী পরিচিতি এই পাঠে যা শিখবে ডিম্বকের প্রধান অংশ এব