কোষ বিভাজনের দুই ধরন—মিয়োসিস ও মাইটোসিস—সম্পর্কে ধারণা থাকা দরকার।
হ্যাপ্লয়েড (n), ডিপ্লয়েড (2n) ও ট্রিপ্লয়েড (3n) ক্রোমোজোম অবস্থার অর্থ জানতে হবে।
ফুলের গঠন, পরাগায়ন, পরাগরেণু, গর্ভমুণ্ড, গর্ভদণ্ড ও গর্ভাশয়ের অবস্থান মনে রাখো।
DNA, জিন, ক্রোমোজোম ও কোষের নিউক্লিয়াসের প্রাথমিক ধারণাও এই অধ্যায় বুঝতে সাহায্য করবে।
উদ্ভিদের বংশবিস্তার, বীজ ও ফল সৃষ্টি এবং নতুন প্রজন্মের উৎপত্তি বুঝতে এই অধ্যায় অপরিহার্য। অঙ্গজ প্রজননের জ্ঞান কৃষিতে দ্রুত ও একই বৈশিষ্ট্যের চারা উৎপাদনে কাজে লাগে। রিকম্বিনেন্ট DNA ও জিন ক্লোনিং আধুনিক কৃষি, রোগ প্রতিরোধ এবং কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের উদ্ভিদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় সংজ্ঞা, ধাপ, পার্থক্য, উদাহরণ ও চিত্রভিত্তিক প্রশ্ন আসে।
| ক্রম | বিষয় |
|---|---|
| ১ | ডিম্বকের গঠন ও ভ্রূণথলির বিকাশ |
| ২ | নিষেক ও দ্বিনিষেকক্রিয়া |
| ৩ | নিষেকের পরিণতি ও বীজ সৃষ্টি |
| ৪ | অযৌন ও অঙ্গজ প্রজনন |
| ৫ | রিকম্বিনেন্ট DNA, জিন ক্লোনিং ও জীবপ্রযুক্তি |
ফুলের গর্ভাশয়ের ভেতরে ডিম্বক অবস্থান করে। ডিম্বকের মধ্যেই স্ত্রীগ্যামিটোফাইট বা ভ্রূণথলি তৈরি হয়। ভ্রূণথলির মধ্যে ডিম্বাণু থাকে। পরে নিষেকের সময় এই ডিম্বাণু পুরুষগ্যামেটের সঙ্গে মিলিত হয়ে জাইগোট সৃষ্টি করে।
ডিম্বকের মেগাস্পোর মাতৃকোষ মিয়োসিসের মাধ্যমে বিভক্ত হয়ে চারটি হ্যাপ্লয়েড মেগাস্পোর সৃষ্টি করে। সাধারণত চারটির মধ্যে তিনটি নষ্ট হয়ে যায়। অবশিষ্ট একটি কার্যকর মেগাস্পোর থেকে ভ্রূণথলি গঠিত হয়। এই একটি কার্যকর মেগাস্পোরই পরবর্তী মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে ভ্রূণথলির নিউক্লিয়াস তৈরি করে।
উর্ধ্বমুখী (Orthotropous বা Atropous): ডিম্বকের মুখ উপরের দিকে থাকে। ডিম্বকস্থ ও ডিম্বকনাড়ী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। উদাহরণ: ডিম্বকটালি বা পানি মরিচ।
অধোমুখী (Anatropous): ডিম্বকের মুখ নিচের দিকে থাকে। ডিম্বকমূল নিচে এবং ডিম্বকরন্ধ্র ডিম্বকনাড়ীর কাছাকাছি উপরে থাকে। উদাহরণ: ধান ও রেড়ী।
পার্শ্বী (Amphitropous): ডিম্বকের পার্শ্ববর্তী ও বিপরীত অংশ বাঁকা হয়ে ডিম্বকের আকৃতি এবং ভ্রূণথলির সম্পর্ক পরিবর্তন করে।
ক্যাম্পিলোট্রপাস (Campylotropous): ডিম্বক ও ডিম্বকীয় অক্ষ বাঁকা থাকে। উদাহরণ: সরিষা ও কুমড়াজাতীয় উদ্ভিদ।
ভ্রূণথলি গঠনের পদ্ধতি তিনটি—মনোস্পোরিক, বিসপোরিক ও টেট্রাসপোরিক। মনোস্পোরিকে একটি মেগাস্পোর, বিসপোরিকে দুটি মেগাস্পোর এবং টেট্রাসপোরিকে চারটি মেগাস্পোর জননকোষ ভ্রূণথলি গঠনে অংশ নেয়। প্রায় ৭০% উদ্ভিদে মনোস্পোরিক পদ্ধতি দেখা যায়।
দ্রুত যাচাই ১: মেগাস্পোর মাতৃকোষের মিয়োসিসে কয়টি মেগাস্পোর তৈরি হয়?
দ্রুত যাচাই ২: ভ্রূণথলির মাইক্রোপাইলীয় প্রান্তে কী থাকে?
ফুলে পরাগায়নের পর নিষেক ঘটে। প্রথমে পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে পৌঁছায়। এরপর পরাগনালি গঠন করে পুরুষগ্যামেট ডিম্বকের ভ্রূণথলিতে নিয়ে যায়। সেখানে একটি পুরুষগ্যামেট ডিম্বাণুর সঙ্গে এবং অন্যটি সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলিত হয়। এই দুটি মিলন একই প্রক্রিয়ার অংশ হওয়ায় একে দ্বিনিষেক বলা হয়।
সংজ্ঞা ও পার্থক্য: পরাগরেণু কোনো বাহকের মাধ্যমে একই প্রজাতির ফুলের গর্ভমুণ্ডে পতিত হওয়াকে পরাগায়ন (pollination) বলে। আর পুরুষ ও স্ত্রীগ্যামেটের মিলনকে নিষেক (fertilization) বলে। পরাগায়নে শুধু পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে পৌঁছায়; নিষেকে পুরুষগ্যামেট ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে জাইগোট সৃষ্টি করে।
উদাহরণ: ধান ও জবা উদ্ভিদে পরাগনালি ডিম্বকরন্ধ্র দিয়ে ডিম্বকে প্রবেশ করে। তাই এদের পরাগনালির প্রবেশপথের নাম পোরোগ্যামি।
একই ভ্রূণথলিতে একটি পুরুষগ্যামেটের সঙ্গে ডিম্বাণুর এবং অপর পুরুষগ্যামেটের সঙ্গে সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের মিলনকে দ্বিনিষেকক্রিয়া (double fertilization) বলে। ডিম্বাণু ও পুরুষগ্যামেটের মিলনে জাইগোট সৃষ্টি হয় এবং তা 2n। সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস 2n ও পুরুষগ্যামেট n-এর মিলনে ট্রিপ্লয়েড এন্ডোস্পার্ম নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়। দ্বিনিষেক আবৃতবীজী উদ্ভিদের একটি বৈশিষ্ট্য।
শিক্ষকের টিপস: মনে রাখবে—“একটি ডিম্বাণুতে, অন্যটি নিউক্লিয়াসে”। ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলন = সিনগ্যামি; সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলন = ট্রিপল ফিউশন। পরাগায়ন হলো পৌঁছানো, নিষেক হলো মিলন।
পরীক্ষায় যেভাবে আসে: পরাগায়ন ও নিষেকের পার্থক্য, পোরোগ্যামি–চালাজোগ্যামি–মেসোগ্যামির সংজ্ঞা, সিনগ্যামি ও ট্রিপল ফিউশনের ফল এবং আবৃতবীজী উদ্ভিদে দ্বিনিষেকের বৈশিষ্ট্য অবশ্যই লিখবে।
১। পরাগায়ন ও নিষেকের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?
২। ট্রিপল ফিউশনে কোন দুটি নিউক্লিয়াস মিলিত হয়?
নিষেকের পর ডিম্বক ও গর্ভাশয়ে ধারাবাহিক পরিবর্তন ঘটে। ডিম্বাণু ও পুরুষগ্যামেটের মিলনে জাইগোট তৈরি হয়। জাইগোট বিভাজিত হয়ে ভ্রূণে পরিণত হয়। একই সময়ে সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সঙ্গে অন্য পুরুষগ্যামেটের মিলনে সস্য বা এন্ডোস্পার্ম তৈরি হয়। সস্য ভ্রূণের খাদ্য হিসেবে কাজ করে। পরে ডিম্বক বীজে এবং গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়।
সংজ্ঞা: নিষেকের পর জাইগোট থেকে ভ্রূণ এবং ডিম্বক থেকে বীজের বিকাশকে বীজ সৃষ্টি বলা হয়। জাইগোট হলো হ্যাপ্লয়েড ডিম্বাণু ও হ্যাপ্লয়েড পুরুষগ্যামেটের মিলনে সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষ।
ডিম্বাণু (n) ও পুরুষগ্যামেট (n) মিলিত হলে ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টি হয়: n + n = 2n। জাইগোটকে উষরাণুও বলা হয়। জাইগোট প্রথমে একটি প্রাচীর তৈরি করে কিছু সময় নিষ্ক্রিয় থাকে। পরে মাইটোটিক বিভাজন শুরু হয়। প্রথম বিভাজন সাধারণত আড়াআড়িভাবে ঘটে। এতে প্রাথমিক ভ্রূণ বা প্রোএমব্রায়ো তৈরি হয়। পরবর্তী বিভাজন ও বৃদ্ধির মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ভ্রূণ গঠিত হয়।
ভ্রূণের প্রধান অংশ তিনটি—
যে বীজে একটি বীজপত্র থাকে তাকে একবীজপত্রী বীজ এবং যে বীজে দুটি বীজপত্র থাকে তাকে দ্বিবীজপত্রী বীজ বলে।
সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস 2n এবং অপর পুরুষগ্যামেট n মিলিত হলে 2n + n = 3n, অর্থাৎ ট্রিপ্লয়েড এন্ডোস্পার্ম নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়। এই নিউক্লিয়াস বারবার বিভাজিত হয়ে সস্য বা এন্ডোস্পার্ম টিস্যু গঠন করে। সস্য পরিণত বীজের ভ্রূণের খাদ্য হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ: ধান ও জবার মতো অধিকাংশ উদ্ভিদে পরাগনালি ডিম্বকের মাইক্রোপাইল দিয়ে প্রবেশ করে। নিষেকের পর ধানের ডিম্বক বীজে এবং গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়।
| নিষেকের আগে | নিষেকের পরে |
|---|---|
| ডিম্বক | বীজ |
| ডিম্বকের বহিঃআবরণ ও অন্তঃআবরণ | বীজত্বক—টেস্টা ও টেগমেন |
| ডিম্বাণু | ভ্রূণ |
| সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস | এন্ডোস্পার্ম বা সস্য |
| গর্ভাশয় | ফল |
| গর্ভাশয় প্রাচীর | মাংসলুক বা ফলপ্রাচীর |
সহকারী কোষ ও প্রতিপাদ কোষ সাধারণত নষ্ট হয়ে যায়। নিউসেলাসও অধিকাংশ ক্ষেত্রে শুকিয়ে বিলীন হয়; কোনো কোনো বীজে তা পরিপোষক হিসেবে থেকে যায়। মাইক্রোপাইলের অংশ বীজরন্ধ্র হিসেবে থাকতে পারে। এন্ডোস্পার্ম অবশিষ্ট থাকলে সেই বীজকে অ্যালবুমিনাস বীজ বলা হয়।
শিক্ষকের টিপস: মনে রাখবে—“ডিম্বক বীজ, গর্ভাশয় ফল”। আর ভ্রূণের তিন অংশ মনে রাখার সহজ উপায়: “মুকুল–মূল–পত্র”।
নিষেকের ফলে উদ্ভিদের বংশধারা বজায় থাকে এবং বীজ ও ফল সৃষ্টি হয়। যৌন প্রজননে দুই গ্যামেটের জিনগত উপাদান মিলিত হওয়ায় জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। এই বৈচিত্র্য পরিবর্তিত পরিবেশে অভিযোজনে সাহায্য করে এবং নতুন প্রজাতি সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করে। খাদ্যশস্য ও তৈলবীজ পাওয়ার ক্ষেত্রেও যৌন প্রজননের গুরুত্ব রয়েছে।
পরীক্ষায় যেভাবে আসে: “জাইগোট 2n, এন্ডোস্পার্ম 3n”—এটি অবশ্যই লিখবে। জাইগোট ভ্রূণ এবং সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সঙ্গে পুরুষগ্যামেটের মিলন এন্ডোস্পার্ম সৃষ্টি করে।
দ্রুত যাচাই ১: ডিম্বক ও গর্ভাশয় নিষেকের পরে কীসে পরিণত হয়?
দ্রুত যাচাই ২: এন্ডোস্পার্ম ট্রিপ্লয়েড হয় কেন?
উদ্ভিদের বংশবিস্তার সব সময় গ্যামেটের মিলনের মাধ্যমে হয় না। কখনো গ্যামেটের সৃষ্টি বা মিলন ছাড়াই নতুন উদ্ভিদ তৈরি হয়। আবার মাতৃউদ্ভিদের মূল, কাণ্ড, পাতা বা অন্য কোনো অঙ্গ থেকেও নতুন উদ্ভিদ জন্মাতে পারে।
কিছু ছত্রাক, ব্রায়োফাইট ও টেরিডোফাইটে স্পোর তৈরি হয়। অনুকূল পরিবেশে স্পোর অঙ্কুরিত হয়ে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করে। কনিডিয়া, স্পোরাঞ্জিওস্পোর, অ্যাস্কোস্পোর, বেসিডিওস্পোর, জুস্পোর ও বিশ্রামরত স্পোর এর উদাহরণ। ফার্নের স্পোর সাধারণত সম-আকৃতির বা হোমোস্পোরাস। সেলাজিনেলা অসম-আকৃতির স্পোর তৈরি করে, তাই এটি হেটেরোস্পোরাস।
উদ্ভিদের দেহের কোনো অঙ্গ বিচ্ছিন্ন হয়ে বা ব্যবহৃত হয়ে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করলে তাকে অঙ্গজ প্রজনন (Vegetative reproduction) বলে। এটি প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম—দুইভাবে ঘটে।
পার্থেনোজেনেসিস: নিষেক ছাড়াই ডিম্বাণু থেকে ভ্রূণ সৃষ্টি হয়ে বীজে পরিণত হলে তাকে পার্থেনোজেনেসিস বলে। স্বাভাবিক মিয়োসিসে উৎপন্ন হ্যাপ্লয়েড ডিম্বাণু থেকে ভ্রূণ হলে হ্যাপ্লয়েড পার্থেনোজেনেসিস। মিয়োসিস ছাড়া ডিপ্লয়েড ডিম্বাণু থেকে ভ্রূণ হলে ডিপ্লয়েড পার্থেনোজেনেসিস।
পরাগরেণু থেকে নিষেক ছাড়া ভ্রূণ সৃষ্টি হলে তাকে অ্যান্ড্রোজেনেসিস বলে। নিউসেলাস বা ডিম্বকত্বকের দেহকোষ থেকে ভ্রূণথলি সৃষ্টি হলে অ্যাপোস্পোরি ঘটে। নিষেক ছাড়া ডিম্বক বা ভ্রূণথলির কোনো কোষ থেকে বীজসহ ভ্রূণ সৃষ্টি হলে তাকে অ্যাপোমিক্সিস বলে। সহকারী কোষ বা প্রতিপাদ কোষ থেকে ভ্রূণ সৃষ্টি হলো অ্যাপোগ্যামি। পরাগায়ন ঘটলেও ডিম্বাণুর নিষেক না হয়ে ভ্রূণ সৃষ্টি হলে তাকে সিউডোগ্যামি বলা হয়।
| অযৌন প্রজনন | যৌন প্রজনন |
|---|---|
| গ্যামেটের মিলন হয় না। | পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলন হয়। |
| সন্তান সাধারণত মাতৃউদ্ভিদের অনুরূপ। | জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। |
| দ্রুত বংশবিস্তার সম্ভব। | নতুন বৈশিষ্ট্য ও প্রজাতি সৃষ্টি হতে পারে। |
ব্যবহারিক গুরুত্ব: অঙ্গজ প্রজননে অল্প সময়ে অনেক নতুন গাছ তৈরি হয়। উন্নত জাতের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে এবং ফল, ফুল ও শস্য উৎপাদনে এটি কার্যকর।
দ্রুত যাচাই ১: ব্রায়োফাইলামে কোন অঙ্গের মাধ্যমে অঙ্গজ প্রজনন হয়?
দ্রুত যাচাই ২: নিষেক ছাড়া ডিম্বাণু থেকে ভ্রূণ সৃষ্টিকে কী বলে?
কোনো জীবের কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী DNA খণ্ডকে অন্য DNA অণুর সঙ্গে যুক্ত করে নতুন DNA তৈরি করা যায়। এই নতুন DNA-তে ভিন্ন উৎসের DNA থাকে। তাই একে রিকম্বিনেন্ট DNA (recombinant DNA) বলা হয়।
প্রথমে অ্যান্টিবায়োটিকযুক্ত আগার মিডিয়ামে ব্যাকটেরিয়া জন্মানো হয়। বাহক প্লাসমিডে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জিন থাকায় প্লাসমিড গ্রহণকারী ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করা যায়। কাঙ্ক্ষিত জিন সত্যিই আছে কি না তা PCR, restriction digestion অথবা genetic probe দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। Genetic probe হলো কাঙ্ক্ষিত জিনের পরিপূরক এক-সূত্রবিশিষ্ট DNA বা mRNA।
উদ্ভিদে জিন স্থানান্তরের জন্য Agrobacterium tumefaciens-এর Ti প্লাসমিড ব্যবহার করা যায়। রিকম্বিনেন্ট DNA Agrobacterium-এ স্থানান্তরের পর তা কাঙ্ক্ষিত উদ্ভিদকোষে প্রবেশ করানো হয়। টিস্যু কালচারের মাধ্যমে ওই কোষ থেকে সম্পূর্ণ উদ্ভিদ তৈরি করা হয়। কাঙ্ক্ষিত জিনযুক্ত এই উদ্ভিদকে ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ বলে। কৃষিক্ষেত্রে পোকা প্রতিরোধী উদ্ভিদ তৈরিতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়; যেমন তুলাগাছে cotton bollworm-এর আক্রমণ প্রতিরোধ।
একটি নির্দিষ্ট জিনের অসংখ্য অভিন্ন কপি তৈরিকে জিন ক্লোনিং বলে। জিনের উৎস হতে পারে—জিনোমিক DNA, নির্দিষ্ট mRNA থেকে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশনে তৈরি complementary DNA বা cDNA, এবং পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে সংশ্লেষিত DNA।
PCR বা Polymerase Chain Reaction-এ নির্দিষ্ট DNA-এর বহু কপি তৈরি হয়। প্রথমে প্রায় ৬০°সে. তাপে DNA-এর দুই সূত্র পৃথক হয়। এরপর ১২–২০ বেস দীর্ঘ primer যুক্ত হয়। DNA polymerase নতুন পরিপূরক সূত্র তৈরি করে। এই ধাপ বারবার ঘটলে অল্প সময়ে অসংখ্য DNA কপি তৈরি হয়।
DNA ক্লোনিংয়ে কাঙ্ক্ষিত DNA প্লাসমিডে ঢুকিয়ে ব্যাকটেরিয়ায় প্রবেশ করানো হয়। ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে জিনেরও বহু কপি হয়। আর mRNA থেকে cDNA তৈরি করে তার বহুল প্রতিলিপি প্রস্তুত করার কৌশলকে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন ক্লোনিং বলা হয়।
১। রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরিতে DNA লাইগেজের কাজ কী?
২। ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ কীভাবে তৈরি হয়?
নিচের উদাহরণগুলো পরীক্ষায় সৃজনশীল, সংক্ষিপ্ত ও বর্ণনামূলক প্রশ্নের উত্তর লেখার অনুশীলনের জন্য তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি উত্তরে সংজ্ঞা, ধাপ ও ফলাফল ধারাবাহিকভাবে লিখবে।
উদাহরণ ১: মনোস্পোরিক পদ্ধতিতে ভ্রূণথলির বিকাশ ব্যাখ্যা করো।
চূড়ান্ত উত্তর: একটি মেগাস্পোর থেকে মাইটোসিসের মাধ্যমে ৮-নিউক্লিয়াসযুক্ত ভ্রূণথলি গঠিত হলে তাকে মনোস্পোরিক ভ্রূণথলি বলে। এই প্রক্রিয়া Polygonum ধরনের ভ্রূণথলি গঠনে দেখা যায়।
উদাহরণ ২: দ্বিনিষেকক্রিয়ায় কোন কোন গঠন সৃষ্টি হয়? প্লয়েডি নির্ণয় করো।
চূড়ান্ত উত্তর: একই ভ্রূণথলিতে সিনগ্যামি ও ট্রিপল ফিউশন সংঘটিত হওয়াই দ্বিনিষেক। এর ফলে 2n জাইগোট এবং 3n এন্ডোস্পার্ম নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ ৩: জবা গাছের কাণ্ডের কাটিং এবং আমগাছের জোড়কলম—দুটি পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো।
চূড়ান্ত উত্তর: কাটিংয়ে কাণ্ডাংশ থেকে নতুন গাছ তৈরি হয়, আর জোড়কলমে সায়নকে স্টকের সঙ্গে যুক্ত করে উন্নত বৈশিষ্ট্যের গাছ উৎপন্ন করা হয়।
উদাহরণ ৪: রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরি ও জিন ক্লোনিংয়ের ধাপগুলো লেখো।
চূড়ান্ত উত্তর: নির্দিষ্ট জিনের বহু কপি তৈরির প্রক্রিয়াই জিন ক্লোনিং। রেস্ট্রিকশন এনজাইম, DNA লিগেজ, প্লাসমিড ও পোষক ব্যাকটেরিয়া এ প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
| পরিভাষা | সংজ্ঞা বা সূত্র | কখন ব্যবহার করবে |
|---|---|---|
| ডিম্বক | মেগাস্পোরাঞ্জিয়াম; এর মধ্যে নিউসেলাস ও ভ্রূণথলি থাকে। | বীজ সৃষ্টির গঠন ব্যাখ্যায় |
| ফানিকুলাস, হাইলাম, র্যাফি | ডিম্বকনাড়ী, সংযোগস্থল এবং আংশিক যুক্ত অংশ। | ডিম্বকের চিত্রে অংশ শনাক্ত করতে |
| নিউসেলাস, ডিম্বকত্বক, মাইক্রোপাইল | ভ্রূণপোষক টিস্যু, বাইরের আবরণ এবং ক্ষুদ্র ছিদ্র। | ডিম্বকের গঠন লিখতে |
| মনোস্পোরিক বিকাশ | চার মেগাস্পোরের একটি কার্যকর হয়ে মাইটোসিসে ৮ নিউক্লিয়াসের ভ্রূণথলি তৈরি করে। | Polygonum ধরনের ভ্রূণথলি ব্যাখ্যায় |
| নিষেক | পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলন। n + n = 2n জাইগোট। | যৌন প্রজননে |
| দ্বিনিষেক | এক গ্যামেটের সঙ্গে ডিম্বাণুর সিনগ্যামি এবং অন্যটির সঙ্গে সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের ট্রিপল ফিউশন। 2n + n = 3n। | আবৃতবীজীর বৈশিষ্ট্য লিখতে |
| বীজ সৃষ্টি | জাইগোট থেকে ভ্রূণ, এন্ডোস্পার্ম নিউক্লিয়াস থেকে সস্য এবং ডিম্বক থেকে বীজ হয়। | নিষেকের পরিণতিতে |
| অযৌন প্রজনন | গ্যামেটের মিলন ছাড়া প্রজনন; স্পোর বা উদ্ভিদ অঙ্গের মাধ্যমে ঘটে। | যৌন প্রজননের সঙ্গে তুলনায় |
| অঙ্গজ প্রজনন | মূল, কাণ্ড, পাতা বা কুঁড়ি থেকে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি। | আলু, আদা, ব্রায়োফাইলাম ইত্যাদিতে |
| কাটিং, লেয়ারিং, গ্রাফটিং | কাণ্ড কেটে, মাটিতে বাঁকিয়ে শিকড় গজিয়ে, অথবা সায়ন-স্টক যুক্ত করে প্রজনন। | কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজননে |
| পার্থেনোজেনেসিস | নিষেক ছাড়াই ডিম্বাণু থেকে ভ্রূণ সৃষ্টি; হ্যাপ্লয়েড বা ডিপ্লয়েড হতে পারে। | অযৌনজনি ব্যাখ্যায় |
| অ্যাপোমিক্সিস | নিষেক ছাড়াই ডিম্বকের দেহকোষ থেকে ভ্রূণ ও বীজ সৃষ্টি। | অযৌন বীজ গঠনে |
| রিকম্বিনেন্ট DNA | কাঙ্ক্ষিত DNA খণ্ডকে প্লাসমিডে DNA লিগেজের সাহায্যে যুক্ত করলে তৈরি হয়। | জিন প্রকৌশলে |
| রেস্ট্রিকশন এনজাইম | নির্দিষ্ট বেস-সিকোয়েন্সে DNA কাটে; তাই আণবিক কাঁচি বলা হয়। | DNA কর্তনে |
| জিন ক্লোনিং | একটি কাঙ্ক্ষিত জিনের বহু অভিন্ন কপি তৈরি। | জিনের বহুগুণন ও গবেষণায় |
| PCR | পরীক্ষাগারে নির্দিষ্ট DNA-এর বহু কপি তৈরির পদ্ধতি। | কাঙ্ক্ষিত জিন শনাক্ত ও বৃদ্ধি করতে |
| ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ | কাঙ্ক্ষিত জিন প্রবেশ করিয়ে টিস্যু কালচারে উৎপন্ন উদ্ভিদ। | জীবপ্রযুক্তির প্রয়োগে |
উদ্দীপক: একটি ফুলে মেগাস্পোর মাতৃকোষ মিয়োসিসের মাধ্যমে চারটি হ্যাপ্লয়েড কোষ সৃষ্টি করল। এর মধ্যে তিনটি নষ্ট হয়ে একটি কার্যকর মেগাস্পোর রয়ে গেল। পরবর্তীতে ভ্রূণথলিতে ডিম্বাণু ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হলো। পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে অঙ্কুরিত হয়ে পরাগনালি তৈরি করল। পরাগনালির মাধ্যমে দুটি পুরুষগ্যামেট ভ্রূণথলিতে পৌঁছাল। একই সময়ে একটি উদ্ভিদকোষে কাঙ্ক্ষিত জিন প্রবেশ করিয়ে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উদ্ভিদ তৈরির পরিকল্পনা করা হলো।
ক. ভ্রূণথলি কী? [১]
খ. দ্বিনিষেককে আবৃতবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য বলা হয় কেন? [২]
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত ফুলে জাইগোট ও এন্ডোস্পার্ম নিউক্লিয়াস কীভাবে সৃষ্টি হবে—ব্যাখ্যা করো। [৩]
ঘ. উদ্দীপকের শেষ অংশে কাঙ্ক্ষিত জিনযুক্ত উদ্ভিদ তৈরির জন্য রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির ধাপগুলো বিশ্লেষণ করো। [৪]
| প্রশ্ন | সঠিক উত্তর | কারণ |
|---|---|---|
| ১ | খ) ডিম্বকনাড়ী | ডিম্বকনাড়ী ডিম্বককে অক্ষের সঙ্গে যুক্ত রাখে। |
| ২ | গ) ৪টি | মিয়োসিসে চারটি হ্যাপ্লয়েড মেগাস্পোর সৃষ্টি হয়। |
| ৩ | গ) তিনবার | ১ → ২ → ৪ → ৮ নিউক্লিয়াস। |
| ৪ | খ) ট্রিপল ফিউশন | পুরুষগ্যামেট ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের মিলনই ট্রিপল ফিউশন। |
| ৫ | গ) পোরোগ্যামি | মাইক্রোপাইল দিয়ে প্রবেশকে পোরোগ্যামি বলে। |
| ৬ | খ) কাটিং | কাণ্ডের অংশ পুঁতে নতুন গাছ তৈরি করা কাটিং। |
| ৭ | খ) রেস্ট্রিকশন এনজাইম | এটি নির্দিষ্ট বেস সিকোয়েন্সে DNA কাটে। |
| ৮ | ক) PCR | PCR-এ নির্দিষ্ট DNA-এর বহু কপি তৈরি হয়। |
ক. নিউসেলাসের মধ্যে অবস্থিত থলির মতো অংশ, যার ভিতরে ডিম্বাণু, সহকারী কোষ, প্রতিপাদ কোষ ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস থাকে, তাকে ভ্রূণথলি বলে।
খ. দ্বিনিষেক আবৃতবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য, কারণ এতে একই ভ্রূণথলিতে দুটি পৃথক মিলন ঘটে। একটি পুরুষগ্যামেট ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টি করে। অন্য পুরুষগ্যামেট সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলিত হয়ে ট্রিপ্লয়েড এন্ডোস্পার্ম নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে।
গ. পরাগনালির মাধ্যমে দুটি হ্যাপ্লয়েড পুরুষগ্যামেট ভ্রূণথলিতে প্রবেশ করবে। প্রথম পুরুষগ্যামেট হ্যাপ্লয়েড ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হবে। তাই জাইগোটের গঠন হবে—n + n = 2n। এই জাইগোট পরে মাইটোসিসের মাধ্যমে ভ্রূণে পরিণত হবে। দ্বিতীয় পুরুষগ্যামেট সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলিত হবে। সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস ডিপ্লয়েড হওয়ায় এন্ডোস্পার্ম নিউক্লিয়াসের গঠন হবে—2n + n = 3n। এটি বিভাজিত হয়ে সস্য বা এন্ডোস্পার্ম তৈরি করবে এবং ভ্রূণের খাদ্য জোগাবে।
ঘ. প্রথমে কাঙ্ক্ষিত গুণের জন্য দায়ী জিন শনাক্ত ও পৃথক করা হবে। রেস্ট্রিকশন এনজাইম দিয়ে কাঙ্ক্ষিত DNA খণ্ড এবং বাহক প্লাসমিডের নির্দিষ্ট স্থান কাটা হবে। এরপর DNA লাইগেজের সাহায্যে কাঙ্ক্ষিত জিন প্লাসমিডে যুক্ত করে রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরি করা হবে। এই রিকম্বিনেন্ট প্লাসমিডকে heat shock বা electroporation পদ্ধতিতে পোষক ব্যাকটেরিয়ায় প্রবেশ করানো যায়। রূপান্তরিত ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করে সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। পরে কাঙ্ক্ষিত জিনটি Agrobacterium tumefaciens-এর মাধ্যমে অথবা অন্য পদ্ধতিতে উদ্ভিদকোষে প্রবেশ করানো হবে। টিস্যু কালচারের মাধ্যমে সেই কোষ থেকে পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ তৈরি হবে। কাঙ্ক্ষিত জিন বহনকারী এই উদ্ভিদকে ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ বলা হয়।
| ভুল | সঠিক |
|---|---|
| পরাগায়ন ও নিষেককে একই মনে করা। | পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে পতিত হওয়া পরাগায়ন; পুং ও স্ত্রীগ্যামেটের মিলন নিষেক। |
| মেগাস্পোরের চারটি কোষই কার্যকর বলা। | চারটির মধ্যে সাধারণত তিনটি নষ্ট হয় এবং একটি কার্যকর থাকে। |
| ভ্রূণথলিতে আটটি নিউক্লিয়াসই পৃথক থাকে বলা। | দুটি মেরুকেন্দ্র মিলিত হয়ে ডিপ্লয়েড সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে। |
| দ্বিনিষেকে উভয় মিলনে জাইগোট সৃষ্টি হয় বলা। | একটি পুংগ্যামেট ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে জাইগোট, অন্যটি সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলিত হয়ে ট্রিপ্লয়েড এন্ডোস্পার্ম নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে। |
| ডিম্বক ও গর্ভাশয়ের পরিণতি গুলিয়ে ফেলা। | ডিম্বক বীজে এবং গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়। |
| অযৌন প্রজননকে শুধু স্পোরের মাধ্যমে হওয়া বলা। | স্পোর, মূল, কাণ্ড, পাতা এবং কৃত্রিম কলমের মাধ্যমেও অযৌন বা অঙ্গজ প্রজনন হয়। |
| জোড়কলমে স্টক ও সায়নের ভূমিকা উল্টো লেখা। | স্টক হলো যে গাছে জোড়া দেওয়া হয়; সায়ন হলো যে অংশটি স্টকের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। |
| রিকম্বিনেন্ট DNA-তে শুধু DNA কাটার কথা লেখা। | রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA কাটে, DNA লাইগেজ কাঙ্ক্ষিত DNA খণ্ডকে প্লাসমিডে যুক্ত করে। |
নিয়মিত এই তালিকা মিলিয়ে পড়লে অধ্যায় ১০-এর সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনি প্রশ্ন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সমাধান করতে পারবে।
ADMISSION TEST PREPARATION অধ্যায় ২: কোষ বিভাজন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী How to use this sheet ★★★ = the par
ADMISSION TEST PREPARATION অধ্যায় ১: কোষ ও এর গঠন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী How to use this sheet ★★★ = the p
এইচএসসি সাজেশন (একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি) অধ্যায় ১: কোষ ও এর গঠন / অধ্যায় ২: কোষ বিভাজন / অধ্যায় ৩: কোষ রসায়ন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত
লেকচার শিট অধ্যায় ১২: জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী পরিচিতি এই পাঠে যা শিখবে বাস্
লেকচার শিট অধ্যায় ১১: জীবপ্রযুক্তি একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী পরিচিতি এই পাঠে যা শিখবে কৃষিতে জিনপ্রযুক্তির ব্
লেকচার শিট অধ্যায় ৯: উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী পরিচিতি এই পাঠে যা শিখবে C₃ ও C₄ উদ্ভিদের প