| ক্রম | প্রশ্নের ধরন | নির্দেশনা | নম্বর |
|---|---|---|---|
| ১ | বহুনির্বাচনি প্রশ্ন | ২৫টি | ১×২৫=২৫ |
| ২ | সৃজনশীল প্রশ্ন | ৮টি থেকে যেকোনো ৫টি | ১৫×৫=৭৫ |
| সর্বমোট | ১০০ | ||
| ক্রম | গুরুত্বপূর্ণ বিষয় | কেন গুরুত্বপূর্ণ |
|---|---|---|
| ১ | ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা ও আকৃতি | উচ্চ ও নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদকোষে ক্লোরোপ্লাস্টের বৈচিত্র্য তুলনা করতে সাহায্য করে। |
| ২ | আদি প্লাস্টিড থেকে ক্লোরোপ্লাস্টের উৎপত্তি | সূর্যালোক, ফোঁপকা, ল্যামেলা ও গ্রানার ধারাবাহিক গঠন বোঝায়। |
| ৩ | ক্লোরোপ্লাস্টের আবরণী ঝিল্লি | দ্বিস্তরবিশিষ্ট আংশিক অপ্রবেশ্য ঝিল্লি ও গ্লাইকোলিপিডের ব্যতিক্রমী উপস্থিতি জানতে হয়। |
| ৪ | স্ট্রোমা | এখানে 70S রাইবোজোম, DNA, RNA ও শর্করা তৈরির এনজাইম থাকে এবং কার্বন বিজারণ ঘটে। |
| ৫ | থাইলাকয়েড ও গ্রানা | থাইলাকয়েডের স্তূপ, ক্লোরোফিলের অবস্থান ও গ্রানার গঠন সালোকসংশ্লেষণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। |
| ৬ | স্ট্রোমা ল্যামেলি | পাশাপাশি গ্রানার থাইলাকয়েডকে সংযুক্ত করে এবং এতে কিছু ক্লোরোফিল থাকে। |
| ৭ | ফটোসিনথেটিক ইউনিট ও ATP-synthase | আলোকশক্তি গ্রহণকারী উপাদান ও ATP তৈরির এনজাইমের ভূমিকা ব্যাখ্যা করে। |
| ৮ | ক্লোরোপ্লাস্টের DNA ও রাইবোসোম | ক্লোরোপ্লাস্টের নিজস্ব DNA, রাইবোসোম ও কিছু প্রোটিন সংশ্লেষণের সক্ষমতা বোঝায়। |
| ৯ | ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট ও লিউকোপ্লাস্টের তুলনা | রং, পিগমেন্ট, অবস্থান, আলো ও প্রধান কাজের পার্থক্য নির্ণয়ে অপরিহার্য। |
| ১০ | সেন্ট্রিওলের গঠন | সিলিন্ডার প্রাচীর, ট্রিপলেটস, লিঙ্কার ও মাইক্রোটিউবিউলের বিন্যাস সম্পর্কে ধারণা দেয়। |
| ১১ | সেন্ট্রিওলের অবস্থান ও কাজ | কোষ বিভাজন, তন্তুযুক্ত গঠন, সিলিয়া ও ফ্ল্যাজেলা সৃষ্টিতে এর ভূমিকা ব্যাখ্যা করা যায়। |
| ১২ | কোষীয় কঙ্কাল ও এর তন্তু | মাইক্রোটিউবিউলস, মাইক্রোফিলামেন্ট ও ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্টের গঠন ও কাজ আলাদা করা যায়। |
উদ্দীপক: একটি সবুজ উদ্ভিদকোষে বহু ক্লোরোপ্লাস্ট দেখা গেল। পর্যবেক্ষণে জানা গেল, প্রতিটি ক্লোরোপ্লাস্ট দ্বিস্তরবিশিষ্ট আবরণে আবৃত এবং তার ভেতরের তরল ম্যাট্রিক্সে রাইবোজোম, DNA ও শর্করা তৈরির এনজাইম আছে।
ক. ক্লোরোপ্লাস্ট সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। তাই একে কোষের রান্নাঘর বলা হয়।
খ. ক্লোরোপ্লাস্টের আবরণী ঝিল্লি দ্বারা আবৃত কলয়েডধর্মী তরল ম্যাট্রিক্সকে স্ট্রোমা বলে। স্ট্রোমায় 70S রাইবোজোম, অসংখ্য এনজাইম, DNA ও RNA থাকে। এখানে কার্বন বিজারণের মাধ্যমে শর্করা উৎপন্ন হয়।
গ. আবরণীটি দুই স্তরবিশিষ্ট আংশিক অপ্রবেশ্য ঝিল্লি; এতে গ্লাইকোলিপিড থাকে। ফলে ক্লোরোপ্লাস্টের অভ্যন্তর নিয়ন্ত্রিত থাকে। স্ট্রোমায় শর্করা তৈরির এনজাইম ও 70S রাইবোজোম থাকে এবং C₃ বা C₄ চক্রে কার্বন বিজারণ ঘটে। তাই আবরণী অভ্যন্তরকে সুরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত রাখে, আর স্ট্রোমা খাদ্য প্রস্তুতির প্রয়োজনীয় রাসায়নিক কাজ সম্পন্ন করে।
উদ্দীপক: একটি ক্লোরোপ্লাস্টের অভ্যন্তরে চ্যাপ্টা ঝিল্লিময় থালাগুলো স্তূপাকারে আছে। কিছু সূক্ষ্ম নালিকা একটি স্তূপকে পাশের স্তূপের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
ক. থাইলাকয়েডের স্তূপকে গ্রানাম বলা হয়; বহুবচনে গ্রানা।
খ. থাইলাকয়েড হলো ঝিল্লিময় থালার মতো গঠন। ১০ থেকে ১০০টি থাইলাকয়েড স্তূপাকারে সজ্জিত হয়ে একটি গ্রানাম গঠন করে। পাশাপাশি দুটি গ্রানার কিছু থাইলাকয়েড সূক্ষ্ম নালিকার মাধ্যমে যুক্ত থাকে; এই নালিকাকে স্ট্রোমা ল্যামেলি বলে।
গ. থাইলাকয়েডের ভেতরের প্রকোষ্ঠে ক্লোরোফিল-a, ক্লোরোফিল-b, ক্যারোটিন, ক্যারোটিনয়েড, লিপিড ও এনজাইম থাকে। ক্লোরোফিল আলোকশক্তি গ্রহণে সাহায্য করে। গ্রানাম আলোক-সম্পর্কিত গঠনগুলোকে স্তূপাকারে বিন্যস্ত রাখে। স্ট্রোমা ল্যামেলি গ্রানাগুলোর মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে এবং এতে কিছু ক্লোরোফিলও থাকে। ফলে বিভিন্ন গ্রানার আলোকসংশ্লেষী উপাদান পরস্পরের সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত থাকে।
উদ্দীপক: একটি পরীক্ষায় একটি আদি প্লাস্টিডকে আলোযুক্ত পরিবেশে রাখা হলো। অপর একটি আদি প্লাস্টিড আলোবিহীন পরিবেশে রাখা হলো। আলোযুক্তটির ভেতরে ফোঁপকা বের হয়ে স্তর ও স্তূপ গঠিত হলো, কিন্তু আলোবিহীনটি সবুজ রং পেল না।
ক. আদি প্লাস্টিডের সাধারণ ব্যাস ০.৫ মাইক্রন।
খ. প্রথমে আদি প্লাস্টিডের দ্বিস্তরবিশিষ্ট আবরণীর ভেতরের স্তর থেকে ফোঁপকা বের হয়। ফোঁপকাগুলো স্ট্রোমায় সমান্তরালভাবে সজ্জিত হয়। পরে এগুলো মিলিত হয়ে ল্যামেলাম তৈরি করে। কিছু স্থানে একাধিক ল্যামেলাম মিলিত হয়ে গ্রানাম গঠন করে।
গ. সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিল সৃষ্টি হয় এবং আদি প্লাস্টিড পূর্ণাঙ্গ ক্লোরোপ্লাস্টে পরিণত হতে পারে। এ সময় ফোঁপকা, ল্যামেলাম ও গ্রানাম গঠিত হয়। কিন্তু সূর্যালোক না পেলে ক্লোরোপ্লাস্ট লিউকোপ্লাস্টে পরিণত হয়; ফলে সবুজ অংশ বর্ণহীন হয়ে যায়। তাই আলো ক্লোরোফিল সৃষ্টি ও ক্লোরোপ্লাস্টের পূর্ণাঙ্গ গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপক: পাতার ক্লোরোপ্লাস্টের থাইলাকয়েড মেমব্রেনে আলো গ্রহণকারী একক ও ATP তৈরির উপাদান পাশাপাশি অবস্থান করছে। একই সময়ে স্ট্রোমায় শর্করা তৈরির এনজাইম সক্রিয় রয়েছে।
ক. ATP-synthase নামক বস্তুতে ATP তৈরির সকল এনজাইম থাকে।
খ. প্রতি ফটোসিনথেটিক ইউনিটে ক্লোরোফিল-a, ক্লোরোফিল-b, ক্যারোটিন, জ্যান্থোফিল এবং প্রায় ৩০০–৪০০টি অণু থাকে। এছাড়া বিভিন্ন এনজাইম, ধাতব আয়ন, ফসফোলিপিড, কুইনোন ও সালফোলিপিড থাকে।
গ. থাইলাকয়েড মেমব্রেনে ফটোসিনথেটিক ইউনিট ও ATP-synthase থাকে। ফটোসিনথেটিক ইউনিট আলোকশক্তি গ্রহণ করে এবং ATP-synthase ATP তৈরিতে সাহায্য করে। অপরদিকে স্ট্রোমায় শর্করা তৈরির এনজাইম থাকে এবং C₃ বা C₄ চক্রে কার্বন বিজারণ ঘটে। অতএব থাইলাকয়েড মেমব্রেন আলো-সম্পর্কিত কাজের স্থান, আর স্ট্রোমা শর্করা উৎপাদনের স্থান।
উদ্দীপক: একটি কোষে সবুজ রঞ্জক ও নিজস্ব বৃত্তাকার DNA পাওয়া গেল। অন্য একটি কোষে কোনো রঞ্জক নেই এবং সেটি ভূগর্ভস্থ কাণ্ডে অবস্থিত।
ক. ক্লোরোপ্লাস্টে ক্লোরোফিল-a-এর পরিমাণ ৭০ শতাংশ।
খ. ক্লোরোপ্লাস্টে নিজস্ব বৃত্তাকার DNA ও রাইবোজোম থাকে। এগুলোর সাহায্যে ক্লোরোপ্লাস্ট নিজের অনুরূপ DNA তৈরি করতে এবং কিছু প্রয়োজনীয় প্রোটিন সংশ্লেষ করতে পারে।
গ. প্রথম কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট আছে; এতে ক্লোরোফিল থাকে, সবুজ অঙ্গে অবস্থান করে এবং সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে শর্করা তৈরি করে। দ্বিতীয় কোষে লিউকোপ্লাস্ট আছে; এতে কোনো পিগমেন্ট থাকে না, আলো না-পাওয়া মূল বা ভূগর্ভস্থ কাণ্ডে থাকে এবং খাদ্য সঞ্চয় করে। তাই রঞ্জক, অবস্থান ও কাজ—তিন দিক থেকেই এদের পার্থক্য দেখা যায়।
উদ্দীপক: একটি প্রাণিকোষের নিউক্লিয়াসের কাছে দুটি ছোট নলাকার গঠন দেখা গেল। প্রতিটি গঠনের প্রাচীরে নয়টি গুচ্ছ অনুনালিকা রয়েছে এবং প্রতিটি গুচ্ছে তিনটি উপনালিকা আছে।
ক. একজোড়া সেন্ট্রিওলকে ডিপ্লোসোম বলা হয়।
খ. সেন্ট্রিওল নলাকার ও প্রায় ০.১৫–০.২৫ মাইক্রন ব্যাসবিশিষ্ট। এর প্রাচীর রেডিয়াল অনুনালিকা দিয়ে গঠিত। নয়টি গুচ্ছ অনুনালিকা থাকে এবং প্রতিটি অনুনালিকায় তিনটি উপনালিকা বা ট্রিপলেট থাকে। ভেতর থেকে বাইরে এগুলোকে A, B ও C নামে চিহ্নিত করা হয়।
গ. সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনের সময় তন্তুযুক্ত গঠন তৈরি করে এবং বিভাজনে সাহায্য করে। এর অনুনালিকাগুলো সুশৃঙ্খল নলাকার কাঠামো গঠন করায় বিভাজনের তন্তু তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। আবার সিলিয়াযুক্ত ও ফ্ল্যাজেলাযুক্ত কোষে সিলিয়া ও ফ্ল্যাজেলা সৃষ্টিতেও সেন্ট্রিওল সাহায্য করে। তাই এর বিশেষ নলাকার গঠন উভয় কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত।
উদ্দীপক: একটি কোষে তিন ধরনের তন্তু শনাক্ত করা হলো। প্রথমটির ব্যাস ২০ ন্যানোমিটার এবং এতে ১৩টি প্রোটোফিলামেন্ট আছে। দ্বিতীয়টি সংকোচনশীল এবং তৃতীয়টির ব্যাস প্রায় ১০ ন্যানোমিটার।
ক. প্রথম তন্তুটি মাইক্রোটিউবিউলস।
খ. মাইক্রোটিউবিউলস অনাবৃত, নলাকার ও ফাঁপা; এর ব্যাস সাধারণত ২০ ন্যানোমিটার এবং এতে ১৩টি প্রোটোফিলামেন্ট থাকে। মাইক্রোফিলামেন্ট সরু, দৃঢ়, সংকোচনশীল ও অ্যাকটিন-মায়োসিন দিয়ে গঠিত; এর ব্যাস ৩০–৬০ Å। ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট প্রোটিন দিয়ে গঠিত এবং এর ব্যাস প্রায় ১০ ন্যানোমিটার।
গ. মাইক্রোটিউবিউলস কোষ বিভাজনে স্পিন্ডল যন্ত্র তৈরি করে, আন্তঃকোষীয় পরিবহন এবং সিলিয়া-ফ্ল্যাজেলার আন্দোলনে সাহায্য করে। মাইক্রোফিলামেন্ট কোষের চলন, সাইটোকাইনেসিস, আকৃতি ও যান্ত্রিক দৃঢ়তায় অংশ নেয়। ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট কোষের আকৃতি ও যান্ত্রিক দৃঢ়তা বজায় রাখে এবং অঙ্গাণুগুলোকে যথাস্থানে রাখতে সাহায্য করে। তাই তিন ধরনের তন্তু একত্রে কোষীয় কঙ্কাল গঠন করে।
উদ্দীপক: একটি শৈবালকোষে সর্পিলাকার সবুজ ক্লোরোপ্লাস্ট দেখা গেল। কোষটির সাইটোপ্লাজমে সূক্ষ্ম তন্তুর জালিকা রয়েছে, যা কোষের দৃঢ়তা ও চলনে সাহায্য করছে।
ক. স্পাইরোগাইরায় সর্পিলাকার ক্লোরোপ্লাস্ট দেখা যায়।
খ. সূক্ষ্ম তন্তুর জালিকাকে কোষীয় কঙ্কাল বা সাইটোস্কেলিটন বলে। এটি মাইক্রোটিউবিউলস, মাইক্রোফিলামেন্ট ও ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট—এই তিন ধরনের প্রোটিননির্মিত তন্তু দিয়ে গঠিত।
গ. ক্লোরোপ্লাস্ট সবুজ রঞ্জকের সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ করে শর্করা প্রস্তুত করে। কোষীয় কঙ্কাল কোষকে দৃঢ়তা দেয়, কোষীয় চলনে অংশ নেয় এবং অঙ্গাণুর অবস্থান ও পরিবহনে সাহায্য করে। ফলে ক্লোরোপ্লাস্ট খাদ্য প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করে, আর কোষীয় কঙ্কাল ক্লোরোপ্লাস্টসহ কোষের বিভিন্ন অংশকে যথাযথ অবস্থান ও কাঠামোগত সমর্থন দেয়।
ADMISSION TEST PREPARATION অধ্যায় ২: কোষ বিভাজন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী How to use this sheet ★★★ = the par
ADMISSION TEST PREPARATION অধ্যায় ১: কোষ ও এর গঠন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী How to use this sheet ★★★ = the p
এইচএসসি সাজেশন (একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি) অধ্যায় ১: কোষ ও এর গঠন / অধ্যায় ২: কোষ বিভাজন / অধ্যায় ৩: কোষ রসায়ন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত
লেকচার শিট অধ্যায় ১২: জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী পরিচিতি এই পাঠে যা শিখবে বাস্
লেকচার শিট অধ্যায় ১১: জীবপ্রযুক্তি একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী পরিচিতি এই পাঠে যা শিখবে কৃষিতে জিনপ্রযুক্তির ব্
লেকচার শিট অধ্যায় ১০: উদ্ভিদ প্রজনন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী · উচ্চমাধমিক জীববিজ্ঞান ১ম পত্র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী পরিচিতি এই পাঠে যা শিখবে ডিম্বকের প্রধান অংশ এব